সিলেটে ৬ হাজার শিশুর প্রতীকি জন্মদিন পালন করলো ওয়ার্ল্ড ভিশন
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১:৪২:২৯

স্টাফ রিপোর্টার : ৬ হাজার নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত শিশুদের মাঝে প্রতীকি জন্মদিন পালন করেছে উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশন, বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার টুকেরবাজার এলাকার নোয়াগাঁও তহশিল অফিস সংলগ্ন মাঠে আয়োজন করা হয় ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের। সেই সাথে নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ খাতা ও কলম বিতরণ করা হয়।
ওয়ার্ল্ড ভিশন’র সিলেট এরিয়া প্রোগ্রাম আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুদ রানা বলেন, শিশুদের মানসিক বিকাশ বৃদ্ধি এবং তাদের মধ্যে আনন্দ ভাগাভাগির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সম্মিলিত জন্মদিন উদযাপনের আয়োজন করায় তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দেবে। তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সচেতন থাকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সিলেট এরিয়া প্রোগ্রামের সিনিয়র ম্যানেজার প্রশান্ত নাফাকের সভাপতিত্বে ও টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট কফিল উদ্দিন মাহমুদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মনাফ বলেন, কান্দিগাঁও ইউনিয়নসহ ওয়ার্ল্ড ভিশনের কর্ম এলাকায় সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মূল স্রোত ধারায় সম্পৃক্ত করার কার্যক্রম ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। তাছাড়া, ওয়ার্ল্ডভিশন এই এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) মোজাহিদুল ইসলাম ও সাবেক কাউন্সিলর ফাতেমা বেগম।
সভাপতির বক্তব্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সিলেট এরিয়া প্রোগ্রামের সিনিয়র ম্যানেজার প্রশান্ত নাফাক বলেন, সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ, হাটখোলা, কান্দিগাঁও এবং সিটি কর্পোরেশনের ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের যেসব শিশুর পরিবারের পক্ষে জন্মদিন পালন করা সম্ভব হয়নি বা কখনই জন্মদিন উদযাপন করা হয়নি, মূলত তাদের জন্যই এই সম্মিলিত আয়োজন।
তিনি আরো জানান, তিনশতাধিক শিশুকে নিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কর্ম এলাকায় এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন’র প্রোগ্রাম কোয়ালিটি স্পেশালিস্ট তপন কুমার সাহা, টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মনোরঞ্জন বাড়ৈ, প্রোগ্রাম অফিসার জাবির আহমদ নোমান, চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার অপূর্ব চিসিম, প্রোগ্রাম অফিসার অশেষ রেমা, উত্তম হালদার, জুনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার অদিতি পালমা, খিলচি তেরেজা নকরেক ও সুমাইয়া হাবিবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



