সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লায় ৩ সহকারী প্রসিকিউটরের নিয়োগ বাতিল
প্রকাশিত হয়েছে : ২১ জুন ২০২৬, ৬:৩৭:৩৭

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলার তিন সরকারি কৌঁসুলির (পিপি প্যানেলভুক্ত) নিয়োগ বাতিল করেছে।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশ অনুযায়ী এসব নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
সম্প্রতি সলিসিটর অনুবিভাগের জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
একটিতে বলা হয়, সুনামগঞ্জ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোহাম্মদ আমিরুল হকের নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হয়েছে। তিনি ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই পদে নিয়োগ পান।
আরেক প্রজ্ঞাপনে কুমিল্লা জেলার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দুই সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করা হয়।
সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর জারি করা স্মারকমূলে তারা সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পান।
সর্বশেষ আদেশের মাধ্যমে তাদের নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (জিপি-পিপি) মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত আদেশে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, পূর্বে জারি করা নিয়োগসংক্রান্ত স্মারক বাতিল করে মোহাম্মদ আমিরুল হক, মো. মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং সাইদুল ইসলামের নিয়োগ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, জেলা ও দায়রা জজ, সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনাল ও আদালত, পাবলিক প্রসিকিউটর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
আইন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি কৌঁসুলি প্যানেলের নিয়োগ ও প্রত্যাহার প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।
সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তের ফলে সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লার সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোতে শূন্য হওয়া পদে পরবর্তীতে নতুন নিয়োগ বা দায়িত্ব অর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা পৃথক আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট তিন আইনজীবীর নিয়োগ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।



