চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ মার্চ ২০২৬, ১:৩০:১৯

চট্টগ্রাম ব্যুরো : সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরও একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দর জলসীমায় পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ১১ দিনে দ্বিতীয় ট্যাংকারটি মঙ্গলবার বিকালে পৌঁছায় বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ৫ দিনের মধ্যে আরও তিনটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে সোমবার সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ২০৪ টন ডিজেল নিয়ে শিউ চি নামের একটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টনের বেশি ডিজেল নিয়ে লিয়ান হুয়ান হু ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এছাড়া এসপিটি থেমিস নামের একটি ট্যাংকার ১২ মার্চ ৩০ হাজার ৪৮৪ টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ১৩ মার্চ র্যাফেলস সামুরাই এবং ১৫ মার্চ চাং হাং হং তু নামে দুটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছবে আশা করা হচ্ছে। এ দুটি ট্যাংকারে প্রায় ৩০ হাজার টন করে ডিজেল রয়েছে।
জানা যায়, এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পাঁচটি ট্যাংকার মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৫ টন পরিশোধিত ডিজেল রয়েছে। এই পাঁচটি ট্যাংকারের ডিজেল দিয়ে দেশে আগামী ১২ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। তবে মজুত ধরে রাখতে সরকার রোববার থেকে দৈনিক ডিজেল সরবরাহ কমিয়ে ৯ হাজার টনে নামিয়ে এনেছে। এই হারে সরবরাহ করা হলে ওই পরিমাণ ডিজেল দিয়ে ১৬ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বর্তমানে যে মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আরও ১৬-১৭ দিন চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। ফলে নতুন চালানসহ মোট সরবরাহ দিয়ে প্রায় এক মাসের ডিজেল চাহিদা মেটানো সম্ভব।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কনিষ্ঠ কর্মকর্তা (বাণিজ্য ও অপারেশন্স) মাসুদ পারভেজ যুগান্তরকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার প্রথম ডিজেলবাহী ট্যাংকার দেশে এসেছে। এরপরই দ্রুত খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে দ্বিতীয় ট্যাংকারটি আসার পর সন্ধ্যায় খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও তিনটি ট্যাংকার আসার কথা রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।



