logo
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
    • ইউ কে
  • সিলেট
    • মৌলভীবাজার
    • সুনামগঞ্জ
    • হবিগঞ্জ
  • মুক্তমত
  • সারাদেশ
  • প্রবাস
  • ব্যবসা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • খেলা
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • ইউ কে
  • সিলেট
  • মৌলভীবাজার
  • সুনামগঞ্জ
  • হবিগঞ্জ
  • সারাদেশ
  • প্রবাস
  • পর্যটন
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • মুক্তমত
  • ব্যবসা
  • শিক্ষাঙ্গন
  • লাইফস্টাইল
  • খেলা
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • বিনোদন
  • সিলেট মিরর পরিবার
  • যোগাযোগ
  1. প্রচ্ছদ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. সাহায্য চেয়ে চিরকুট ছুঁড়ছে পাকিস্তানের বন্যার্তরা

সাহায্য চেয়ে চিরকুট ছুঁড়ছে পাকিস্তানের বন্যার্তরা


প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ আগস্ট ২০২২, ৭:৩৮:৪১


সাহায্য চেয়ে চিরকুট ছুঁড়ছে পাকিস্তানের বন্যার্তরা

পাকিস্তানে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে মানুর উপত্যকায় নদীর দু’ধারে বন্যার কারণে আটকে পড়েছে শত শত মানুষ। শুক্রবার হঠাৎ করে ধেয়ে আসা পানির তোড়ে সেখানে ১০টি সেতু ভেঙে যায়। বহু ভবন ধসে পড়ে।

‘আমাদের খাবার দরকার, আমাদের ওষুধ দরকার এবং দয়া করে সেতুটি পুননির্মাণ করুন, আমাদের এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।’

বানভাসি মানুষদের একটি চিরকুটে এমন বার্তা লেখা ছিল। বন্যা আক্রান্ত এলাকায় যাওয়া মানুষদের দিকে গ্রামবাসীরা এই চিরকুট ছুঁড়ে মেরেছিল।

কাঘানের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত মানুর উপত্যকা পাকিস্তানের একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। উপত্যকাটি প্রবল বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে যাতে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উপত্যকাটিকে মূল শহরের সাথে সংযোগকারী একমাত্র কংক্রিটের সেতুটি আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেছে। এরপর থেকে নদীর ওপারের সব গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং সেখানকার বাসিন্দারা সাহায্যের অপেক্ষায় রয়েছেন।

সেখানে বন্যা ও ভূমিধসের কারণে রাস্তাঘাট অনেক স্থানেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মানুরে দুটি সেতু সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে এবং একটি অস্থায়ী কাঠের সেতু তৈরি করা হয়েছে।

সেখানে এক নারীকে দেখা গেলো যতটুকু সহায় সম্বল রয়েছে, সেগুলো নিয়ে বসে থাকতে। বলছিলেন, তিনি তার বাড়ি দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে পৌঁছাতে পারছেন না।

পাকিস্তানে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে

‘আমার বাড়ি এবং আমার ছেলে-মেয়েরা নদীর ওপারে। সরকার এসে সেতুটি মেরামত করে দেবে ভেবে দুই দিন ধরে এখানেই অপেক্ষা করছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাদের বলছে যে, আমাদের বাড়ি পৌঁছানোর জন্য পাহাড়ের অন্যপাশ দিয়ে হাঁটা শুরু করা উচিত। কিন্তু সেটা আট থেকে দশ ঘণ্টার হাঁটা পথ। আমি একজন বৃদ্ধ মহিলা। আমি এতটা পথ হাঁটবো কি করে?’

তিনি সেখানে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেন। আবার বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর অস্থায়ী কাঠের সেতুটির নিচে প্রবাহিত পানি আরও ফুলে উঠতে শুরু করলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।

নদীর ওপারে মাটির ঘরের বাইরে নারী, পুরুষ ও শিশুরা বসে ছিল। তারা লোকজন দেখে নদীর ওপার থেকে কাগজে চিরকুট লিখে, প্লাস্টিকের ব্যাগে পাথর ভরে তার মধ্যে ঢুকিয়ে তাদের দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছিলো।

আজকাল গ্রামের অন্য অংশের সাথে যোগাযোগ করার এটিই একমাত্র উপায়। এখানে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক কাজ করে না।

হাতে লেখা এই চিরকুটে তারা যে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, যে পরিস্থিতির সাথে মোকাবিলা করছে সে সম্পর্কে জানায়। আটকে পড়া গ্রামবাসীদের জন্য দরকারি রসদ এবং ওষুধের অনুরোধও করে।

একটি চিরকুটে লেখা ছিল, ‘অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তারা পায়ে হেঁটে গ্রাম ছেড়ে যেতে পারছে না। দয়া করে সেতুটি বানিয়ে দিন। এটিই শহরের সাথে যোগাযোগের প্রধান উপায়।’

৬০ বছর বয়সী আব্দুল রাশিদ নিজের দুর্দশার কথা বর্ণনা করে বলছিলেন, ‘আমাদের রসদ দরকার, রাস্তা দরকার।’

বন্যায় তিনি তার ঘোড়ার গাড়িটি হারিয়েছেন। পরিবারকে খাওয়ানোর জন্য সেটিই ছিল অর্থ উপার্জনে তার একমাত্র উপায়।

‘এরকম আরো বহু মানুষ আছে, যারা তাদের সহায় সম্পত্তি এবং আয়ের উৎস হারিয়েছে,’ বলছিলেন তিনি।

‘ওদের সাহায্য দরকার, খাবার দরকার। এখানে ছোট একটা বাজার ছিল যা পুরো ভেসে গেছে। সেখানে দোকানে সব খাবার আর দরকারি রসদ ছিল।’

আমার বাড়ি নদীর ওপারে। এখন আমাকে আট ঘণ্টা হেঁটে বাড়ি পৌঁছাতে হবে। এত বুড়ো বয়সে আমি কীভাবে তা পারবো? প্রশ্ন করলেন তিনি।

এখানে অনেক দোকান ও হোটেল ধ্বংস হয়ে গেছে। সোহেল ও তার ভাই তাদের মোবাইল ফোন মেরামতের দোকানটি বন্যায় হারিয়েছেন।

বিবিসিকে তিনি বলছিলেন, তাকে তিনটি পরিবারের খাবারের যোগান দিতে হয়। তার ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত।

‘এখন কী যে করবো বুঝতে পারছি না। কেউ আমাদের সাহায্য করতে এখানে আসেনি। যা আমাদের খুবই দরকার। এখানকার প্রতিটি দোকানদার চিন্তার মধ্যে আছে। তারা সবাই গরীব মানুষ। অনেক বড় বড় পরিবারকে খাওয়ানোর তাদের উপরে।’, বলছিলেন সোহেল।

‘এইসব কর্তৃপক্ষ এবং রাজনীতিবিদরা এখানে শুধু আসে ফটোসেশন আর ফুর্তি করার জন্য। তারা আসে, ছবি তোলে এবং চলে যায়। কেউ আমাদের সাহায্য করছে না।’

তবে সেখানকার ডেপুটি কমিশনার বিবিসিকে বলেছেন, ওই এলাকায় দ্রুততার সাথে ব্যাপক উদ্ধার ও ত্রাণ অভিযান চালানো হয়েছে এবং সব হোটেল খালি করা হয়েছে। কী পরিমাণে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে ইতোমধ্যেই হিসাব করা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, ‘সম্পত্তির ক্ষতি সম্পর্কে ইতোমধ্যে একটি মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং বন্যা আক্রান্তদের খুব শিগগিরই ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। সেতুটির পুনঃনির্মাণের কাজ শুরু হলেও শেষ হতে কিছুটা সময় লাগবে।’

এই বন্যার জন্য সরকার জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করলেও সেখানকার বাসিন্দারা নদীর তীরে হোটেল নির্মাণের অনুমতি দেয়ার জন্য সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করছে।

‘এই হোটেল এবং বাজারগুলো পানি প্রবাহের প্রাকৃতিক জলপথগুলো অবরুদ্ধ করেছে এবং সেই কারণেই বন্যায় আমরা অনেক বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি যা সহজেই এড়ানো যেত’, কাঘানের বাজার এলাকার আর এক বাসিন্দা বলছিলেন।

কাঘানের কুনহার নদীর তীরে এবং সংলগ্ন উপত্যকায় অনেক হোটেল তৈরি করা হয়েছে। বন্যায় বেশ কিছু হোটেল, একটি পুলিশ স্টেশন এবং একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে।

ধসে পড়া পুলিশ স্টেশনটি থেকে কয়েক শ’ মিটার দূরে নদীর পাড়ে অস্থায়ী তাঁবু গেড়েছে একটি পরিবার।

তারা জানিয়েছে বানের পানিতে তাদের পরিবারের আটজন ভেসে গেছে।

পাকিস্তানজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে প্রবল বর্ষণ ও বন্যা। পাকিস্তানের স্মরণকালের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে সাত লাখের মতো বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।

খাবার, পানীয় জল এবং আশ্রয়ের অপেক্ষায় রয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। মানুর উপত্যকার মতো এলাকায় বিচ্ছিন্ন সম্প্রদায়গুলোর কাছে পৌঁছাতে ব্যাপক বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলগুলোকে।

বন্যায় সিন্ধু এবং বালুচিস্তানের মতো প্রদেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তবে খাইবার পাখতুনখোয়ার পার্বত্য অঞ্চলগুলোও মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়েছে।

সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় কারণে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ সংস্থাগুলোকে পৌঁছাতে সহায়তা করতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে ডাকা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছানোর একমাত্র উপায় এখন হেলিকপ্টার।

দুর্যোগ মোকাবেলায় পাকিস্তানের সরকার বন্ধুপ্রতিম দেশ, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে সহায়তার আবেদন করছে।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু

ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ৬৬

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে নিহত ৬৬

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে নিহত বেড়ে ৭, আরও হতাহতের শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে নিহত বেড়ে ৭, আরও হতাহতের শঙ্কা

মামদানির ভাষণ শেষ হতেই বেজে উঠল ‘ধুম মাচালে’

মামদানির ভাষণ শেষ হতেই বেজে উঠল ‘ধুম মাচালে’

সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬০০-র বেশি নিদর্শন চুরি
যুক্তরাজ্যে জাদুঘর থেকে ৬০০-র বেশি নিদর্শন চুরি
ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান
সিলেটে মধ্যরাতে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প
সিলেটে মধ্যরাতে ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প
প্রচারের জন্য কতদিন সময় পাচ্ছেন প্রার্থীরা
প্রচারের জন্য কতদিন সময় পাচ্ছেন প্রার্থীরা
তফশিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
তফশিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
<span style='color:#ff0000;font-size:16px;'>জাতির উদ্দেশে ভাষণে সিইসি</span> <br> জাতীয় নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি
জাতির উদ্দেশে ভাষণে সিইসি
জাতীয় নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি
সিলেটে সিআইডি কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাত, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
সিলেটে সিআইডি কর্মকর্তাকে ছুরিকাঘাত, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না নৌকাসহ ৪ প্রতীক
পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না নৌকাসহ ৪ প্রতীক
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ
হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, ১৪৪ ধারা জারি
হবিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত, ১৪৪ ধারা জারি
বিজয় দিবস
বিজয় দিবস
সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে ২ জনের মৃত্যু
সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে ২ জনের মৃত্যু
যে কারণে শীতে প্রতিদিন খাবেন টমেটো সালাদ
যে কারণে শীতে প্রতিদিন খাবেন টমেটো সালাদ
কোন আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রেজা কিবরিয়া?
কোন আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রেজা কিবরিয়া?

© 2023 Sylhetmirror.com All Rights Reserved

সম্পাদক: মোহাম্মদ আব্দুল করিম (গণি)
নির্বাহী সম্পাদক: এনামুল হক রেনু

সিলেট মিরর পরিবার

Office: Unit 2, 60 Hanbury Street London E1 5JL

sylhetmirror@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top