প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:০৯:৫৩

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাৎকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।
হুমায়ুন কবির বলেন, সফরসূচি নিয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অনেক অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে। যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তখন চীন সফরের বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা জানান, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যে বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছেন, চীন সরকার সেটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতেই মূলত চীনের রাষ্ট্রদূত এই সাক্ষাৎ করেন।
‘বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই এই সুদৃঢ় সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে চীন বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী। বিগত বছরগুলোতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, বর্তমান সরকার সেটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে চায়।’
‘চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না হলেও দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কীভাবে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া যায়, উভয় দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও জোরদার করা যায়, এসব বিষয়ে সৌজন্যমূলক অঙ্গীকার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘চীন সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমানে অনেকগুলো অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ (ডোমেস্টিক প্রায়োরিটি) রয়েছে। দেশের কাজ গুছিয়ে নিয়ে যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তখন চীনের এই আমন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।’



