নৌপরিবহনে যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশের পারস্পরিক সহযোগিতার আহ্বান
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ৭:৩৬:৪২
বাংলাদেশের নৌপরিবহন বিভাগকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও পরিবেশবান্ধব করতে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
আজ শনিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ব্রিটিশ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অ্যাভিয়েশন, মেরিটাইম ও সিকিউরিটি মন্ত্রী ব্যারনেস ভেরি অব নরবিটনের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের ১২৮তম কাউন্সিলে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য সফর করছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরোধে ব্রিটিশ টেকনিক্যাল কো-অপারেশন এইডের সহযোগিতায় বাংলাদেশে প্রথম মেরিন একাডেমির যাত্রা শুরু হয়।’ প্রতিমন্ত্রী দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে বাংলাদেশের নৌপরিবহন বিভাগের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা, বিশেষত বাংলাদেশি নাবিকদের সার্টিফিকেট অব কমপিট্যান্সির মিউচুয়াল রিকগনিশনের জন্য অনুরোধ জানান। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বন্দরে বাংলাদেশি নাবিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা দেওয়ার জটিলতা দূর করার অনুরোধ জানান তিনি।
বৈঠকে ব্রিটিশ মন্ত্রী বাংলাদেশের নৌপরিবহন বিভাগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেওয়া উদ্যোগ, বিশেষ করে বাংলাদেশের ১৬ হাজার নাবিক ও ১৪টি মেরিন ইনস্টিটিউট থেকে বছরে পাঁচ হাজারের বেশি মেরিনার ও ১০০ নারী মেরিনারের উপস্থিতির প্রশংসা করেন। ব্রিটিশ মন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
এ ছাড়া তারা দুই দেশের মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের মধ্যে গবেষণা ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতার প্রত্যয় জানান। সেইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মেরিটাইম বিভাগে ডিকার্বোনাইজেশনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
ব্রিটিশ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. নিজামুল হক উপস্থিত ছিলেন।