বিমানের বিশেষ ফ্লাইট চালু হচ্ছে শনিবার
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ এপ্রিল ২০২১, ৫:৪৬:০০
লকডাউনে আটকে পড়া প্রবাসী কর্মীদের জন্য শনিবার থেকে বিশেষ ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রী পর্যায়ের জরুরি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভা শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরে গমনেচ্ছু আটকে পড়া প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের গমনের জন্য এ বিশেষ ফ্লাইট চালু হচ্ছে।
এক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ বাংলাদেশি অন্যান্য এয়ারলাইনস এবং সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের জাতীয় বিমান সংস্থাসহ অন্যান্য ক্যারিয়ার বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাঁচটি দেশে গমনেচ্ছু প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের মধ্যে যাদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স রয়েছে, তাদেরকে বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তবে এসব দেশের ক্ষেত্রে যাদের ভিজিট ভিসা আছে, কিন্তু বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স নেই, তারা বিদেশ গমনে অগ্রাধিকার পাবেন না।
ভিজিট ভিসা নিয়ে যেসব বাংলাদেশি কর্মীর উদ্দেশে সংযুক্ত আরব আমিরাত যাবেন, তারা বিএমইটি’র ছাড়পত্র নিয়ে যেতে পারবেন।
সভায় বলা হয় বিগত তিন দিন ধরে যেসব যাত্রী টিকিট কেনা সত্ত্বেও লকডাউনের কারণে বিদেশ গমন করতে পারেননি, তাদেরকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বা সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের ন্যাশনাল ক্যারিয়ারের অতিরিক্ত বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে বিদেশে প্রেরণ করার ব্যবস্থা করা হবে।
যেসব যাত্রী ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম হতে ভ্রমণ করার জন্য টিকিট ক্রয় করেছেন, তাদেরকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কানেকটিং ফ্লাইটের মাধ্যমে ঢাকায় আনা যাবে।
লকডাউন চলাকালে উল্লিখিত পাঁচটি দেশ ব্যতীত অন্যান্য দেশে যারা জরুরি প্রয়োজনে যেতে ইচ্ছুক, তারা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র সাপেক্ষে ট্রানজিট-প্যাসেঞ্জার হিসেবে বিশেষ ফ্লাইটে ভ্রমণ করতে পারবেন।
এ পাঁচটি দেশে বা ট্রানজিট যাত্রীরা এয়ারপোর্টে আসার পথে পাসপোর্ট/ভ্যালিড ভিসা/বিমানের টিকিট/বিএমইটি কার্ড অথবা নিরাপত্তা এজেন্সি কর্তৃক ইস্যুকৃত পাস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সভায় বলা হয়, প্রবাসী বাংলাদেশিরা জরুরি প্রয়োজনে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের শর্তে দেশে আসতে পারবেন। প্রত্যেক যাত্রীকে কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলকভাবে প্রদর্শন করতে হবে।
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসী কর্মীদের তালিকা প্রস্তুত করবে। বিদেশ হতে ফেরত যাত্রীদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ দিয়াবাড়ি, চট্টগ্রাম ও সিলেটে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়ে রাখবে।
উল্লেখিত পাঁচটি দেশ হতে যেসব যাত্রী দেশে আসবেন, তারা বোর্ডিংয়ের পূর্বেই কোয়ারেন্টাইনের জন্য নির্দিষ্ট হোটেলে বুকিং নিশ্চিত করবেন।
কাতার ও ওমানে ক্রমহ্রাসমান করোনা সংক্রমণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিষিদ্ধ দেশসমূহের তালিকা থেকে এই দেশ দু’টিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।





